১. শিক্ষার্থীর প্রোফাইল বুঝে কাউন্সিলিং: কাউন্সেলিং এর সময় স্কলার্স জোনের কনসাল্টেন্টরা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ,সামর্থ্য, দুর্বলতা এবং পছন্দও সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর জন্য যেটি সবচেয়ে উপযুক্ত সেটাই নিতে সহায়তা করেন।
২. বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স নির্বাচন: বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রেখে, স্কলার্স জোনের পরামর্শদাতারা তাদের আকাঙ্ক্ষা ও আর্থিক সামর্থ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোর্স নির্বাচনে সহায়তা করে।
৩. স্কলারশিপ ও গ্র্যান্টস: স্কলার্স জোনের কনসাল্টেন্টরা শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও গ্র্যান্টস খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে থাকেন, যা বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের অনেকটা আর্থিক চাপ কমায়।
৪. অ্যাপ্লিকেশন প্রসেস সহায়তা: নির্ভুল ও উপযুক্ত কাগজপত্র প্রস্তুতকরণ এবং সকল প্রকার অ্যাপ্লিকেশন করার ক্ষেত্রে স্কলার্স জোন সহায়তা করে। তাছাড়া কোনো ধরনের সমস্যা হলে, দক্ষতার সাথে শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করতে থাকে।
৫. ভিসা প্রক্রিয়া সহায়তা: আবেদনপত্র পূরণ থেকে শুরু করে আর্থিক বিবরণীর সকল কাগজপত্র প্রস্তুত করা পর্যন্ত – ভিসা প্রক্রিয়ার সবকিছু দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করা হয়।
৬. ভিসার পর যাত্রা ও যাত্রা-পূর্ব সহায়তাঃ শিক্ষার্থীরা তাদের নির্বাচিত গন্তব্যে যাওয়ার আগে, তাদের ইমিগ্রেশন এর যাবতীয় ডকুমেন্ট এবং নির্ধারিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এনরোল করার ডকুমেন্ট স্কলার্স জোন থেকেই গুছিয়ে দেওয়া হয়। প্রয়জনে কমিউনিটি সাপোর্ট হিসেবে সেখানে অধ্যয়নরত সহপাঠীদের সাথে আগে থেকেই যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও মাইগ্রেশন, ভ্রমণ এবং PR বিষয়ে গাইডলাইনও প্রদান করা হয়।